গণমানুষের সেবা করাই জেড এইচ সিকদারের মূলমন্ত্র।

আজকের শরীয়তপুর ডেস্ক ঃ গণমানুষের সেবা করাই হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট শিল্পপতি জয়নুল হক সিকদার (জেড এইচ সিকদার) এর মূলমন্ত্র।

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা জেড এইচ সিকদার পাকিস্তান সরকারের বৈষম্যমূলক নীতি, শাসন ও শোষনের সোচ্চার থেকে বর্বর পাক বাহিনীর রোষানল থেকে দেশকে মুক্ত করে আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক লাল সবুজ পতাকা এনে দিয়েছিল। সেদিন আত্ম চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ গ্রহন করেছিল। জীবনকে তুচ্ছ করে মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়িয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছে, প্রতিরোধ করেছেন। তার দৃঢ়তার মূলে ছিল দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা আর স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি তার অফুরন্ত ভক্তি, শ্রদ্ধা ও সম্মান।

জয়নুল হক সিকদার আত্মত্যাগের কথা চিরশ^াশ^ত, চিরভাস্বর। নিশ্চয় তিনি জাতির সর্ব শ্রেষ্ঠ সন্তান। যে বয়সে যে সময়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে, সে সময়ে মানুষ নিজকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে সচেষ্ট থাকে। কিন্তু জয়নুল হক সিকদার ছিল তার ব্যতিক্রম। তিনি আশ্চার্যজনকভাবে নিজের স্বার্থ ভুলে দেশ ও জাতির স্বার্থকে বড় করে দেখেছেন। আর এখানেই একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন। তার এ অবদানের কথা ভোলার নয়। জনগণের শ্রদ্ধা ভালবাসা তার প্রতি চিরদিন বর্ষিত হবে।

জয়নুল হক সিকদার (জেড এইচ সিকদার) একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশকে স্বাধীন করে বসে থাকেননি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যুদ্ধ বির্ধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার কাজে তার অবদান অসীম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত স্বনির্ভর সোনার বাংলা গড়ার কাজে জেড এইচ সিকদার একটি অন্যতম নাম। স্বাধীনতার পর তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যে আত্মনিয়োগ করে নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এবং দেশকেও প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার হাতে গড়া এবং তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আজ দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বজনীন স্বীকৃত। তিনি তার কর্মপরিচয় শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। সকল ক্ষেত্রে তার বিচরণ অবাধ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাংস্কৃতি, অর্থনীতি সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের শতশত লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব পাচ্ছেন। তিনি তার নিজস্ব অর্থে নির্মাণ করেছেন কয়েকশ সামাজিক, ধর্মীয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। এতেই তিনি ক্ষান্ত নন দেশ জাতিকে উন্নয়ন অগ্রগতির চরম শিখরে নিয়ে যেতে তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। দান, দয়া, অনুদান দিয়ে তিনি ব্যাপক সুনাম, সুখ্যাতী অর্জন করেছেন। সদালাপী, জনবান্ধব। জয়নুল সিকদার জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণীত। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তার সুযোগ্য কন্যা, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি অঙ্গীকারাবদ্ধ। এসব কাজে তাকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছেন তার সুেেযাগ্য সহ-ধর্মিনী মনোয়ারা সিকদার। মনোয়ারা সিকদার জেড এইচ সিকদারের পাশে থেকে, কাছে থেকে সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। জেড এইচ সিকদার ও মনোয়ারা সিকদারের সুযোগ্য কন্যা পারভীন হক সিকদার বর্তমানে জাতীয় সংসদ সদস্য। পারভীন হক সিকদার পিতার আদর্শ ধারণ করে অবহেলিত জনপদ শরীয়তপুরের উন্নয়ন অগ্রগতির কাজে আত্মনিবেদিত। তার মাধ্যমে শরীয়তপুর জেলা একটি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুন্দর জনপদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। পারভীন হক সিকদার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হলে এ উন্নয়ন অগ্রগতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে। পারভীন হক সিকদার এমপি’কে মন্ত্রী সভায় অন্তর্ভুক্ত করাই শরীয়তপুরবাসীর প্রত্যাশা।

Facebook Comments

About Sm Sohage

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *