মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দারিদ্র্য বিমোচন ভাবনা

শাহনাজ খন্দকারঃ

আশাহত বুকে ভাঙ্গা মনে নতুন করে আশা আর প্রানের সঞ্চার জাগাতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রামে নিজের জীবন যেমন উৎসর্গীকৃত করেছেন তেমনি অন্তরের তাগিদে কলম হাতে তুলে নিয়েছেন।তাঁর উপস্থাপিত অর্থনৈতিক দর্শন বাস্তবায়িত করে আমরা দেশের মানুষ সুখ স্বাচ্ছন্দ্য আর স্বস্তিতে বাস করতে পারব এটা বলতে পারি নিঃসন্দেহে। বাঙালি হিসেবে আমরা সৌভাগ্যবান এজন্য যে হিমালয় সমান সু-উচ্চমান পিতার সুযোগ্য কন্যা একজন শেখ হাসিনার বদৌলতে জাতির পিতার চোখে চোখ রেখে দেশপ্রেম অন্তরের গহিনে পুষে একবুক স্বপ্ন নিয়ে ভবিষ্যৎ সোনার বাংলা গড়ার দীক্ষা পাই। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুর গঠনকৃত “গ্রাম- কর্মী বাহিনী ” সহ বঙ্গবন্ধুর নিজের হাতে লেখা আত্মজীবনী ও ভ্রমণ ডায়েরি থেকে বিস্তর ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার লেখা “দারিদ্র্য দূরীকরণ কিছু চিন্তাভাবনা” ও “স্মৃতির দখিন দুয়ার ” বইয়ে এ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। বঙ্গবন্ধু জীবনের সুখ-স্বস্তি,আরাম-আয়েশ, মোহ,ধন-দৌলত সবকিছু ত্যাগ করার এক মহান ব্যাক্তিত্ব শুধু সাধারণ গরীব দুঃখী  মানুষের কল্যান চেয়ে নিজের সব চাওয়া পাওয়া বিসর্জন দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর পথ অনুসরণ করেই বাংলার প্রতিটি গ্রামকে গড়ে তুলব বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের “সোনার বাংলা”।যেখানে থাকবেনা কোন অভাব, দারিদ্র্য, দুঃখ ও অশান্তির পদাঘাত। এ পৃথিবীতে মানবসন্তান শুধু পেট নিয়ে জন্মায় না সঙ্গে দুটো হাত নিয়ে ও জন্মায়। এ সন্তান কালক্রমে বড় হয়ে হাত দুটি নিয়ে কাজ করে কিন্তু শ্রেণি স্বার্থের দ্বন্দ্বের কারনে অনেকেই নিপীড়িত ও শোষিত হবার ফলে  আজ বিশ্বে ধনী-দরিদ্রের  বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। তাই মানুষকে তথ্য-প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন শিক্ষিত মানব সম্পদে পরিনত হতে হবে এবং শিক্ষা উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে পারবে।দেশ তত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে এবং দারিদ্র্য নিরসন করে বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করতেই পারি।

Facebook Comments

About T. M. Golam Mostafa