ছয়গাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আমাকে নির্বাচিত করলে আমি মানুষের মর্যাদা সুরক্ষা করবো–মানিক ব্যানার্জী

আজকের শরীয়তপুর প্রতিবেদক:

শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে নির্বাচিত করলে আমি সর্ব প্রথম মানুষের অধিকার সুরক্ষা করবো। দল, মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ আমার নিকট মর্যাদা, সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা পাবে।আমি কোন কোন অগান্তুত নই। আমি ভীন দেশ থেকে আসিনি। আমি ছয়গাঁও গ্রামের সন্তান। আমি কারো ভাই, কারো বন্ধু, কারো চাচা, কারো ভাতিজা। আমার চৌদ্দ পুরুষের বসবাস ছয়গাঁও গ্রামে। এখানকার মাটি-মানুষের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক। আমি নাঙা-ভুখা, লাঞ্চিত-বঞ্চিত হতভাগা মানুষের পক্ষে কথা বলতে শিখেছি। আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিবাদ-প্রতিরোধ জানি। আমি গণমানুষের কন্ঠস্বর। আমাকে একটি বারের জন্য ছয়গাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করলে ছয়গাঁও ইউনিয়ন পরিষদকে আমি গণমানুষের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবেগড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিশীল। কথাগুলো বলেছেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছয়গাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী, গণমানুষের নেতা, প্রতিবাদি উচ্চারণের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর, কৃষক, শ্রমিক মেহনতী মানুষের সহযোদ্ধা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক, শরীয়তপুর জেলা পূজা উদযাপন পষিদের সভাপতি, বুড়িরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মানিক ব্যনার্জী। সম্প্রতি ‘সাপ্তাহিক’ আজকের শরীয়তপুর পত্রিকার সঙ্গে একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।ছয়গাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ইতোমধ্যেই আমরা পালন করেছি।বিগত ৫০ বছরে ছয়গাঁও ইউনিয়নের মানুষ তাদের অধিকার বুঝেনিতে পারেনি। এ ইউনিয়নে যখনই নির্বাচন এসেছে তখনই কতিপয় স্বার্থান্বেষী জনগণের পিঠে ছুরিকাঘাত করেছে। ছয়গাঁও ইউনিয়নের জনগণ কখনোই তাদের মনমত চেয়ারম্যান নির্বিাচিত করতে পারেনি। স্বার্থান্বেষীরা সব সময় আপামর জনগণের বীপরিতে অবস্থান করছে। দুষ্টচক্রের বিষাক্ত ছোবলে বিশেষ করে ছয়গাঁও ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ গ্রাম ছয়গাঁও এর মানুষ সবচেয়ে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে।ছয়গাঁও গ্রাম থেকে কোনদিন কেউ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হতে পারেনি। এখানকার অনেক স্বনাম ধন্য ব্যক্তি আপ্রাণ চেষ্টা করেও কাশিম বাজার কুটিরের হীন ষড়যন্ত্রে চেয়ারম্যান পদে পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনিও সে ষড়যন্ত্রের শিকার বলে জানিয়েছেন। মানিক ব্যানার্জী জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি ছয়গাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার জন্য লড়াই সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। প্রথম দফায় তিনি নির্বাচন করে সন্তোষজনক ভোট পেয়ে হেরে যান। ২য় দফার সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়ে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন লাভ করেন।কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে স্বপ্ন সময়ের মধ্যে তার মনোনয়ন ছিনতাই হয়ে যায়। আগামী নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন। এরপর যদি মনোনয়ন লাভ নাও করেন তারপরও তিনি মুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন।ইতোমধ্যে তিনি প্রচার-প্রচারণার অংশ হিসেবে স্বাস্থবিধি মেনে গণসংযোগ শুরু করেছেন। গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। জনগণের ভাগ্য যদি ছিনতাই না হয় তাহলে বিপুল ভোটে তিনি নির্বাচিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। কে প্রতিদন্দ্বীতা করবে, কে করবেনা এ নিয়ে তার কোন মাথা ব্যথা নেই। কে সমর্থন করবে, কে করবে না, এমন ভাবগতি ও তার নেই। তার কথা, জনগণ আমার শক্তি। ছয়গাঁও ইউনিয়নের গণমানুষ আমার পক্ষে রয়েছে। গণজোয়ারে সকল মহলের সকল খরকুটা ভেসে যাবে। যে কোন পরিস্থিতিতে তিনি নির্বাচনে টিকে থাকতে চান। কোন ভয়-ভীতি, হুমকী-ধমকী হামলা-মামলার নিকট তিনি মাথা নিছু করবেন না এটাই সংকল্প।

জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে ছয়গাঁও ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের পাশে থেকে, কাছে খেকে তাদের ভাগ্যন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালাবেন বলে মানিক ব্যানার্জী জানিয়েছেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদকে উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত করবেন।মানুষের অভাব, অভিযোগ, রোগ-শোক, ব্যথ্যা-বেদনা, আনন্দ-উৎসব, হাসি-কান্নায় তার অংশ নিশ্চিত করতে তিনি বদ্ধ পরিকর। মানুষের সেবা, মানুষকে সম্মান প্রদর্শন ও উন্নয়ন তার প্রধান লক্ষ। ইউনিয়নের সকল শ্রেণি  পেশার মানুষের  ভালোবাসা আদায়ের জন্য যা যা করার দরকার সব করতে প্রস্তুত মানিক ব্যানার্জী। ……………………………. চলবে

Facebook Comments

About T. M. Golam Mostafa

Check Also

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের মহাসমাবেশ ও র‌্যালী

আজকের শরীয়তপুর প্রতিবেদকঃ ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম হযরত শাহ্সূফী সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন …